মেনু নির্বাচন করুন

বয়ারভাঙ্গা বিশ্বম্ভর মাধ্যমিক বিদ্যালয়

  • সংক্ষিপ্ত বর্ণনা
  • প্রতিষ্ঠাকাল
  • ইতিহাস
  • প্রধান শিক্ষক/ অধ্যক্ষ
  • অন্যান্য শিক্ষকদের তালিকা
  • ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা (শ্রেণীভিত্তিক)
  • পাশের হার
  • বর্তমান পরিচালনা কমিটির তথ্য
  • বিগত ৫ বছরের সমাপনী/পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল
  • শিক্ষাবৃত্ত তথ্যসমুহ
  • অর্জন
  • ভবিষৎ পরিকল্পনা
  • ফটোগ্যালারী
  • যোগাযোগ
  • মেধাবী ছাত্রবৃন্দ

বয়ারভাঙ্গা বিশ্বম্ভর মাধ্যমিক বিদ্যালয়টি খুলনা জেলার বটিয়াঘাটা উপজেলার অন্তর্গত ৩নং গঙ্গারামপুর ইউনিয়নের বয়ারভাঙ্গা গ্রামে অবস্থিত । বিদ্যালয়টি খড়িয়া নদীর দক্ষিন তীরে ২.৮৯ একর জমির উপর অবস্থিত বিদ্যালয়টিতে একটি দ্বিতলা ভবন সহ ১৪কক্ষ বিশিষ্ট  মোট পাচটি সুবৃহত বিল্ডিং আছে। তার মধ্যে একটি অডিটারিম ঘর একটি বিদানাগার ও একটি লাইব্রেরী আছে। বিদ্যালয়ের পশ্চিম পাশ্বে ৪কক্ষ বিশিষ্ট একটি পাকা ছাত্রবাস আছে। বিদ্যলয়ের সামনে একটি প্রসস্ত খেলার মাঠ আছে। মাঠের দিক্ষন পূর্ব পাশ্বে একটি পুকুর আছে। মাঠের চার পাশ বনজ ও ফলজ বৃক্ষ আছে। বিদ্যালটিতে প্রতিবছর ৪৫০-৫৫০ জন ছাত্র-ছাত্রী লেখাপড়া করে। এবং প্রায় ৮০-১০০জন শিক্ষাথী এসএসসি ও জেএসসি পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করেন। প্রতিবছর পরীক্ষার এ+ সহ কাঙ্খিত শিক্ষাথী কৃতকার্য হয় পাশের হার ৯০%-৯৮% সুতরাং বলা বহুল্য বিদ্যালয়টি বিশেষ মনোরম। বিদ্যালয়টিতে স্কাউড টিম আছে। তাছাড়া পানী জলের জন্য গভীর নলকুপ ল্যাট্রিনে সু-ব্যবস্থা আছে। ছাত্র-ছাত্রী সুশৃঙ্খল বন্ধ এবং সুম্পর্ন রাজনীতি মুক্ত।

১৯১৭-১৮

বিদ্যালয়টি ১৯১৭-১৮ সালের  কোন এক সমঢ স্বগীয় শ্রী বিশ্বম্ভর মল্লীক শিক্ষার আলো ছড়ানোর উদ্দেশ্য নিজের সকল স্থাবর সম্পত্তি উজাড় করে দিয়ে বিদ্যালয়টি স্থাপনের কাজ শুরু করেন। এ্রলাকার বহুলোক বিশেষ করে শিক্ষানুরাগী স্বগীয় শ্বরৎ চন্দ্র বিশ্বাস স্বগীয় রামলাল বিশ্বাস প্রমুখ ব্যাক্তিগর্ব উৎসাহ অনুপ্রেরনা ও শারিরীক আর্থিক সহযোগিতায় বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠা লাভ বিশেষ ভুমিকা রাখে।  প্রাথমিক অবস্থায় স্থানীয় শিক্ষাধীদের পরবতীতে থানা বা আরও দুরদুরন্ত খেকে ছাত্র সংগ্রহ করেন। এবয় তাদের থাকা খাওয়ার ব্যবস্থা করে দেন। বিদ্যালয়টি ১৯২৮ সালে  নোয়ার মিডিল ইংলিশ হিসাবে অনুমোদন লাভ করে এবং ১৯৩৬ সালে জুনিয়ার মিজিল ইংলিশ অনুমোদ লাভ করে। ১৯৪৫ সালের ২২শে ডিসেম্বর কলিকাতা বিশ্ব  বি্দ্যাণরের কর্তৃক অনুমোন লাভ করে। মাধ্যুমিক বিদ্যালটি হিসাবে অনুমোদন লাভ করে। তবে সকল কাগজ পত্র স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় নষ্ট হয়ে যায়। ১৯৪৫ সালে মাধ্যমিক েএর অনুমোদনের পর এ পর্যন্ত কিছু সংখ্যক ছাত্র-ছাত্রী রেট্রিকুলেশন ও এসএসসি পাশ করেছে। তার মেধ্য উল্লেখ  যোগ্য সংখ্যক ছাত্র-ছত্রী প্রথম বিভাগ উত্তীন হয়েছে।

ছবি নাম মোবাইল ইমেইল
কাঞ্জিলাল মল্লিক ০১৯২৫৮২৮৮১০ sumonmondol@gmail.com

ছবি নাম মোবাইল ইমেইল

শ্রেণী

ছাত্র

ছাত্রী

মোট

৬ষ্ঠ

৪৯

৪৬

৯৫

৭ম

৫৬

৩৭

৯৩

৮ম

৫৩

২৭

৮০

৯ম

৫৪

২৫

৭৯

১০ম

৪০

২৪

৬৪

৯০%

জনাব নীহার রঞ্জন মল্লিক             সভাপতি

জনাব কাঞ্জিলাল মল্লিক                প্রধান শিক্ষক

জনাব প্রভাস চন্দ্র গাইন               শিক্ষক প্রতিনিধি

জনাব সমরেশ চন্দ্র মন্ডল             শিক্ষক প্রতিনিধি

জনাব বিপ্লবী রায়                     শিক্ষক প্রতিনিধি (সংরক্ষিত মহিলা)

জনাব সমর চন্দ্র বিশ্বাস              অভিভাবক প্রতিনিধি

জনাব শংকর শীল                     অভিভাবক প্রতিনিধি

জনাব অনুজ মল্লিক                    অভিভাবক প্রতিনিধি

জনাব প্রশান্ত রায়                       অভিভাবক প্রতিনিধি

জনাব ইতি রানী রায়                  অভিভাবক প্রতিনিধি (সংরক্ষিত মহিলা)

পাচ বছরের পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল

পরীক্ষার বছর

পরীক্ষাথী

কৃতকায

মোট কৃতকায

পাশের হার

ছাত্র

ছাত্রী

মোট

A+

A

A-

B

C

D

F

ছাত্র

ছাত্রী

মোট

২০০৯

২৯

১০

৩৯

০২

০৬

০৯

০৭

১২

 

০৩

২৭

০৯

৩৬

৯২.৩১%

২০১০

২৯

২৯

৫৮

০৫

১৮

১৫

১০

০৩

 

০৭

৩১

২০

৫১

৮৭.৯৩%

২০১১

৩৬

১৮

৫৪

০২

২৭

১০

০৭

০৫

 

০৩

৩৫

১৬

৫১

৯৪.৪৪%

২০১২

৫৬

১৫

৭১

০৪

২৩

২১

১৫

০৪

 

০৪

৫৩

১৪

৬৭

৯৪.৩৭%

২০১৩

৫২

১৪

৬৬

০৩

২২

১৪

১২

০৩

 

১২

৩৩

২১

৫৪

৮১.৮২%

 

 

পাচ বছরের জুনিয়ার পরীক্ষার ফলাফল

পরীক্ষার বছর

পরীক্ষাথী

কৃতকায

মোট কৃতকায

পাশের হার

ছাত্র

ছাত্রী

মোট

A+

A

A-

B

C

D

F

ছাত্র

ছাত্রী

মোট

২০০৯

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

২০১০

৫০

৩০

৮০

০১

০৯

০৬

২২

০৯

৩৩

২৬

২১

৪৭

৫৮.৭৫%

২০১১

৬৯

৩৩

১০২

০৫

০৬

০৮

৪৭

২৪

১২

৬১

২৯

৯০

৮৮.২৪%

২০১২

৫৯

২৯

৮৮

০১

১৪

১৯

১৫

১৭

০৭

১৫

৪৪

২৯

৭৩

৮২.৯৫%

২০১৩

৫৭

২৩

৮০

০৫

২১

১৮

১৩

১২

০৫

০৬

৫১

২৩

৭৪

৯২.৫০%

স্বাধীনতার পরবতী প্রায় প্রতি বছর অত্র বয়ারভাঙ্গা বিশ্বম্ভর মাধ্যমিক বিদ্যালয় হতে ৮ম  শ্রেণীর জুনিয়ার স্কুল সাটিফিকেট পরীক্ষায়  মেধানুযায়ী ছাত্র ছাত্রী বৃত্তি পেয়ে থাকে।

পরীক্ষার বছর

টেলেন্টপুল

সাধান

মোট

 

২০০৯

০৩

০১

০৪

 

২০১০

০০

০১

০১

 

২০১১

০০

০১

০১

 

২০১২

০০

০২

০২

 

২০১৩

 

 

 

 

২০১৪

০২

০২

০৪

অর্জনঃ বয়ারভাঙ্গা বিশ্বম্ভর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের উপজেলার প্রাচীনতম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান । বিদ্যালয়ের সূচনালগ্নে ১৯৪০ সাল ৮ম শ্রেনীতে এই এলাকায় একটি মাত্র  বৃত্তি পাওয়ার বিশেষ কৃতিত্ব অর্জন করে। ১৯৪৫ সাল মাধ্যমিক এর অনুমোদনের পর এ পযন্ত বিপুল সংখ্যক ছাত্র-ছাত্রী  মেট্রেকুলেশন ও এসএসসি পাশ করেছে। তার মধ্য উল্লেখযোগ্য সংখক ছা্ত্র-ছাত্রী প্রথম বিভাগ উত্তীন হয়েছে।

উল্লেখ  যে ১৯৮৩ সালে এসএসসি পরিক্ষায় সম্মিলিত  মেধা তালিকায় এ বিদ্যালয়  থেকে ৪র্থ স্থান অধিকার করে। এবং বানিজ্য বিভাকে ঐ একই সালে দ্বিতীয় স্থান অধিকার করে।

১৯৯৮ সালে  খো খো  খেলায় জাতীয় পর্যায়ে  খেলার কৃতিত্ব অর্জন করে রার্নার আপ উপজেলা পার্যয়ে ফুটবল খেলায় এবং এ্যাথলেটিক্সে অনুসরন করে বহুবার চেম্পিয়ান অর্জন করে। ফুটবল খেলায় পর পর দুইবার জেলা পর্যায়ে ২০১০ ও ২০১১ সালে রানা আপ হয়। অত্র বিদ্যালয় কৃতছাত্র মুক্তি যোদ্ধায় অংশ গ্রহন করেন। স্বাধীনতার সময় বিদ্যালয়টিতে যুক্তি যোদ্ধাদের অত্র বিদ্যালয়টি মুক্তিযোদ্ধাদের ক্যাম্প হিসাবে ব্যবহার হয়। এ বিদ্যালয় থেকে কৃতকার্য  অসংখ্য ছাত্র-ছাত্রী দেশ বিদেশে গুরুত্বপূর্ন পদে চাকুরী করার  গৌরব অর্জন করেছেন।

ভবিষৎ পরিকল্পনা

০১। বিদ্যালয় এসএসসি ও জেএসসি পরীক্ষায় ১০০% এর উন্নীত করা।

০২। প্রচলিত সরকারি নিতিমালা অনুসারে পাঠ্যক্রম ভিত্তিক একাডেমিক শিক্ষা মুলক পদর্থী সফল ভাবে বাস্তবায়ন করা।

০৩। সহপাঠ ক্রমিক কার্যবলী যেমন-বির্তক আবৃত্তি উপস্থিত বত্তৃতা গান নৃত্য খেলাধুলার মান আন্তজার্তিক পর্যায়ে উন্নীত করা।

০৩। শ্রেনীতে উপকরন সম্মলিত পাঠদানে ১০০% নিশ্চয়তা প্রদান করা

০৪। শিক্ষাখীদের ১০০% উপস্থিতি নিশ্চয়তা করা

০৫। ঝরে পড়া  রোধে অভিভাবক ও এলাকার বিদ্যানুরাগীদের সমন্নায়ে সকলকে শিক্ষার গুরুত্ব বুঝানো ও বিদ্যালয় মুখীকরার ব্যবস্থা গ্রহন করা।

০৬। দুবল শিক্ষাথী বাছাই করে তাদের অতিরিক্ত ক্লাস করা।

বিভাগীয় শহর খুলনা হতে ১৪ কিলোমিটার দক্ষিনে বি্দ্যালয়টি অবস্থিত।

বিদ্যালয় হতে ভ্যান, ইজিবাইক  মোটর সাইকেল  যোগে খুলনা-চালনা সড়কে  পৌছাইয়া বাস ইঞ্জিন ভ্যান, নসিমন এবং মটর সাইতেল  যোগে বটিয়াঘাটা উপজেলা সদরে  পৌছানো যায়।

০১। অত্র বিদ্যালয় ছাত্র মিল্টন মল্লিক ১৯৮৩ সালে এসএসসি পরীক্ষায় ৮২২ নম্বর  পেয়ে যশোর শিক্ষা  বোর্ড সম্বলিত মেধা তালিকায়  চতুথ স্থান অধিকার করেন। এবং পরবর্তীতে এমবিবিএস পাশ করেন।

০২। দেবদুলার মল্লিক ১৯৮৫ সালে ৮০৫ নম্বের কৃতিত্ব সহিত পাশ করেন।এবং পরর্তীতে আমেরিকায় আর্ট সান্টার এমোরী বিশ্ববিদ্যালয়  থেকে অর্থণিীতিতে ডক্তারেরত ডিগ্রী লাভ করেন এবং বর্তমানে তিনি অষ্টেলিয়া একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যপনার কার্যে নিয়োজিত।

০৩। মিসেস শরবরী বিশ্বাস ১৯৮৫ সালে অত্র বিদ্যালয় থেকে কৃতিত্বের সহিত পাশ করেন। ১৯৯৩ সালে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং  এ প্রথম স্থান অধিকার করা গৌরব করে সাবেক মাননীয় প্রধান মন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নিকট থেকে গোল্ডেন মেডেল লাভ করেন। বর্তমানে নিতি অষ্টেলিয়া রোটেশনাল ইঞ্জিনিয়ারিং পেশায় কর্মরত।

০৪। নির্মাল চন্দ্র মন্ডল ১৯৭৬ সালে অত্র বিদ্যালয়  থেকে কৃতিত্বরে সহিত পাশ করেন। প্রথমে চট্টগ্রাম ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের অধ্যপক ছিলেন। মলরেশিয়া থেকে ডক্তরেট ডিগ্রী লাভ করেন।  ২য়বার অষ্টেলিয়া থেকে ডক্তরেট ডিগ্রী লাভ করার পর অষ্টেলিয়ান অকখ্যামকম বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যপনায় নিয়োজিত।

০৫। রেবতী  মোহন বিশ্বাস ১৯৬১সালে প্রথম বিভাগে পাশ করেন। এবং পরবর্তীতে ভারতে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় রসায়ন বিভাগে বিভাগীয় প্রধান হিসাবে নিযুক্ত থেকে বর্তমানে অবসর লাভ করেন।

০৬। এছাড়া বিদ্যালয়ের অসংখ্যাক ছাত্র-ছাত্রী এমবিবিএস ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়া, দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যপক ও দেশ বিদেশের বিভিন্ন  কোম্পানী ও এনজিওর কর্মকর্তা হিসাবে নিয়োজিত আছেন।



Share with :

Facebook Twitter